ঢাকা, রবিবার, ২৪ জুন ২০১৮ | ০৩ : ২৬ মিনিট

plastic-pollution‘বিট প্লাস্টিক পলিউশন’ এই প্রতিপাদ্য এইবারে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস। প্রতিবছর সারা বিশ্বে ৫ জুন পরিবেশ সচেতনতার লক্ষ্যে পালিত হয়ে আসছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস।

শুনে আশ্চর্য হবেন, প্রতিদিন প্রায় ৭৩ হাজার টন প্লাস্টিক বর্জ্য বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে সমুদ্রে গিয়ে পড়ছে। পরিমাণের দিক থেকে যা বিশ্বের পঞ্চম। এই বর্জ্যের উৎস গঙ্গা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার দেশ চীন, ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পদ্মা, মেঘনা, যমুনা হয়ে এগুলো সাগরে যায়। ( সূত্র : প্রথম আলো)

প্লাস্টিক বর্জ্যের কারণ পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব পড়েছ। এর ফলে দেশের দেশের বিভিন্ন নদ-নদী এবং ভূভাগকে দূষিত হচ্ছে। তারপরও দেশে ৬১ ভাগ মানুষ পলিথিন ব্যবহার করে চলেছ। নানা সময়ে উদ্যোগ নেওয়া হলো তা রোধ করা সম্ভব হয়নি। পরিবেশের উপর নজর রেখে দ্রুত পলিথিন ব্যবহারের জোর প্রচেষ্ঠা করতে হবে। পলিথিনের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করুন পাট জাত জিনিস। এর ফলে পরিবেশ যেমন দূষণ থেকে মুক্ত হবে,  দেশের পাটশিল্পীও সমৃদ্ধ হবে।

উল্লেখ্য, ১৯৬৮ সালের ২০ মে জাতিসংঘের অর্থনীতি ও সামাজিক পরিষদের কাছে একটি চিঠি পাঠায় সুইডেন সরকার। চিঠির বিষয়বস্তু ছিল প্রকৃতি ও পরিবেশ দূষণ সম্পর্কে তাদের গভীর উদ্বেগের কথা। সে বছরই জাতিসংঘের পক্ষ থেকে পরিবেশ রক্ষার বিষয়টি সাধারণ অধিবেশনের আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরের বছর জাতিসংঘের পক্ষ থেকে পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং সমাধানের উপায় খুঁজতে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর সম্মতিতে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে ১৯৭২ সালের ৫ থেকে ১৬ জুন জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন (United Nations Conference on the Human Environment) অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনটি ইতিহাসের প্রথম পরিবেশ-বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের স্বীকৃতি পায়। ১৯৭৩ সালে সম্মেলনের প্রথম দিন ৫ জুনকে জাতিসংঘ ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা দেয়। ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতিবছর দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে।

Comments

comments