ঢাকা, সোমবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৮ | ১১ : ৩০ মিনিট

আজ বধুবার। ২৮ মার্চ ২০১৮, ১৪ চৈত্র ১৪২৪, ০৯ রজব ১৪৩৯ । আজকের দিনে পৃথিবীতে যা ঘটেছিল। সেই ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

Maxim-Gorky-&-Mario-Vargas-Llosaঘটনা
১৯৩০ : কনস্টান্টিনোপলের নাম ইস্তাম্বুল ও অ্যাঙ্গোরার নাম আঙ্কারা করা হয়।
১৯৪১ : নেতাজী সুভাসচন্দ্র বসু কলকাতা থেকে গোপনে বার্লিন পৌঁছেন।
১৯৪২ : রাসবিহারী বসু জাপানের টোকিওতে ভারত স্বাধীন করার আহ্বান জানিয়ে ভাষণ দেন।

জন্মদিন

১৮৬৮ : রুশ সাহিত্যিক মাক্সিম গোর্কির  জন্ম । {প্রখ্যাত রুশ সাহিত্যক আলেক্সেই ম্যাক্সিমোভিচ পেশকভ বা মাক্সিম গোর্কি (২৮ মার্চ ১৮৬৮–১৮ জুন ১৯৩৬) তিনি রাশিয়ার নিঞ্জি নভগরদ এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নিজেই তাঁর ছদ্মনাম হিসেবে বেছে নেন ‘গোর্কি’ অর্থাৎ ‘তেতো’ নামকে। মাত্র ৯ বছর বয়সে পিতৃমাতৃহীন হন। ১৮৮০ সালে মাত্র ১২ বছর বয়সে তিনি তার দাদীমাকে খুঁজতে গৃহ ত্যাগ করেন। ১৮৮৭ সালে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে যান এবং দীর্ঘ ৫ বছর ধরে পায়ে হেঁটে সমগ্র রাশিয়া ভ্রমন করেন। তাঁর অনেক বিখ্যাত রচনার মধ্যে মা একটি কালজয়ী উপন্যাস। }
১৯৩৬ : নোবেলজয়ী পেরুর লেখক মারিও ভার্গাস ইয়োসা জন্মগ্রহণ করেন।

নোবেলজয়ী কথাসাহিত্যিক মারিও বার্গাস ইয়োসা।তিনি ১৯৩৬ সালের ২৮ মার্চ  দক্ষিণ পেরুর আরেক্বিপা শহরে এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পূর্ণ নাম হোর্হে মারিও পেদ্রো বার্গাস ইয়োসা। জন্মের ঠিক পূর্বে তাঁর পিতা-মাতার বিচ্ছেদ হয়ে যায়। তাঁর শৈশব কাটে মা আর নানা-নানীর সঙ্গে বলিভিয়ায়। তিনি মাত্র ১৬ বছর বয়সে সাংবাদিকতার কাজ করতে শুরু করেন। হাইস্কুলের পর তিনি ‘কলেজিও ন্যাসনাল সান মিগেল দ্য পিওরা’-তে ভর্তি হন। পরে তিনি ‘ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সান মার্কস’-এ আইন ও সাহিত্য অধ্যয়ন করে। বৃত্তি পেয়ে মাদ্রিদের  ইনিভার্সিতি কমপ্লুতেন্সে থেকে ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন। মাত্র আঠারো বৎসর বয়সে তাঁর দশ বৎসরের বড় সম্পর্কিত খালা হুলিয়া ঊরক্বিদিকে বিয়ে করে তিনি স্বীয় অ্যাডভেঞ্চার প্রবণতার স্বাক্ষর রেখেছিলেন। এই বিয়ে ভেঙ্গে যায় ১৯৫৯-এ। পরবর্তীতে ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি প্যাত্রিসিয়া ইয়োসাকে বিয়ে করেন। তাঁদের তিনটি সন্তান।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকতা করেছেন।উল্লেখ্যযোগ্য : ইউনির্ভাসিটি আব লন্ডনের কুইন ম্যারী করেজ ও কিংস কলেজ, ওয়াশিংটন স্টেট (পুলম্যান), ইউনিভার্সিটি অব পুয়ের্টো রিকো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়, জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউ ইয়র্ক। এছাড়া তিনি ওয়াশিটনের উড্রো উইলসন সেন্টারে ফেলো হিসাবেও কাজ করেছেন। অধ্যাপনা ছাড়াও সাংবাদিকতা করে থাকেন।

কথাসাহিত্যিক ও গদ্যকার ২০১০ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। বিংশ শতকের হিস্পানী লেখকদের মধ্যে তিনি অন্যতম প্রধান। তাঁর রচিত উপন্যাস, নাটক এবং গদ্যগ্রন্থের সংখ্যা ৩০-এর অধিক। স্পেনীয় ভাষার সাহিত্যে বার্গাস ইয়োসার নাম কালোর্স ফুয়েন্তেস এবং গার্সিয়া মার্কেসের সঙ্গে সমমর্যাদায় উচ্চারিত হয়ে থাকে। ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে পেরুর রাষ্ট্রপতি পদের জন্য সাধারণ নিবার্চনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। যদিও তিনি জয় লাভ করেন নি, তবু চেকোস্লাভাকিয়ার ভাস্লাভ হাভেলের পর পৃথিবীতে তিনিই দ্বিতীয় সাহিত্যিক যিনি ভোটাভুটির প্রথম পর্বে বিজয়ী হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতার শীর্ষ পদ গ্রহণের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন।

তাঁর প্রধান পাঁচটি উপন্যাস হলো: নায়কের কাল (The Time of the Hero), জুলি চাচী এবং নাট্যরূপকার, (Aunt Julia and the Scriptwriter), জগৎ বিলয়ের যুদ্ধ (The War of the End of the World), ছাগলের মহাভোজ (The Feast of the Goat) এবং ২০০৬-এ প্রকাশিত নষ্টা মেয়ে (The Bad Girl)।

মৃত্যু

১৮৯৮ : শিক্ষাবিদ ও সমাজ সংস্কারক স্যার সৈয়দ আহমদের মৃত্যু।

১৯৪১ : ইংরেজ মহিলা ঔপন্যাসিক ও সমালোচক ভার্জিনিয়া উলফের মৃত্যু। { ভার্জিনিয়া উলফ উনিশ শতকের ব্রিটিশ আধুনিকতাবাদী লেখকদের মধ্যে তিনি অন্যতম। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী সময়কালে তিনি লন্ডন লিটারেসি সোসাইটি এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা হল, মিসেস ডাল্লাওয়ে (১৯২৫), টু দ্যা লাইটহাউজ (১৯২৭), ওরলান্ডো (১৯২৮)। তাঁর রচিত ভাষণ সংকলন এ রুম ওয়ান’স ওন (১৯২৯) বইটি তাঁর উক্তি “নারী যখন ফিকশন লেখে তখন তার একটি কক্ষ আর কিছু অর্থ খুব প্রয়োজন।” এর জন্য বিখ্যাত। উল্ফ ডিপোলার ডিজঅর্ডার নামক এক‌টি মানসিক রো‌গে ভু‌গে‌ছি‌লেন। তিনি ১৯৪১ সালের ২৮মার্চে  ৫৯ বছর বয়সে আত্মহত্যা করেন। }

১৯৮৫ : রুশ চিত্রশিল্পী মার্ক শাগালের মৃত্যু।

তথ্যসূত্র : উইকিপিডিয়া, বিভিন্ন পত্র পত্রিকা। গ্রন্থনা : স্বপ্ন ’৭১ অনলাইন

Comments

comments