ঢাকা, বুধবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৮ | ১১ : ৪৬ মিনিট

১

মুক্তিযোদ্বা মোঃ মফিজুর রহমান। ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামে ১নং সেক্টরে কালুরঘাটে বোয়ালখালী উপজেলায় মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। তিনি কমান্ডার সোলায়মান আলীর সহযোদ্বা ছিলেন এবং ৩ নং ইউনিয়ন কমান্ডার হিসাবে যুক্ত ছিলেন।

মোঃ মফিজুর রহমান ১৯৫৫ সালে ৩০ জুন চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিন ভাই পাঁচ বোনের মধ্যে সবার বড় ছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালে মফিজুর রহমানের বয়স ছিল ১৬ বছর। তখন দেশে শুরু হয় পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধের অসহযোগ সংগ্রাম। চারদিকে থমথম পরিবেশ। দেশের এমন পরিস্থিতি দেখে তিনি আরও চুপ করে থাকতে পারছিলেন না। মনে মনে প্রতিজ্ঞা করেন মুক্তির সংগ্রামে তিনিও ঝাপিয়ে পড়বেন।

৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু ভাষণ। ঢাকায় এসে সেই ভাষণ শুনা হয়নি তার। তবে তিনি চট্টগ্রামে টেলিফোনের রিসিভার দিয়ে গাছের উপর উঠে রেডিওতে সেই অমর ভাষণটি শুনেন। ভাষণ শুনার পর পরই সিদ্ধান্ত নেন যুদ্ধে যাবেন। এখন তিনি সময় ও সুযোগের অপেক্ষা গুণতে লাগলেন।

২বাড়িতে এসে বললে, কেউ রাজি হতে চাইলেন না। পরিবারের আদর সন্তান হওয়ার জন্য বাধার সমূখীন হওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তিনি তাঁর সিদ্বান্তে অটল। গভীর রাতে পরিবারের উদ্দেশ্যে  একটা চিঠি লিখেন। তাঁরপর বালিশের নিচে সেই চিঠিটা রেখে চলে যান।

ভারতের হরিণা নামক জায়গায় ট্রেনিং নেন। ট্রেনিং শেষে তিনি যুদ্ধে অংশ নেন।

যুদের পর তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হন। ২০০১ সালে ৩নং পূবগোমদন্ডী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং ৩ নং ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্বা সংসদের কমান্ডার ছিলেন।

৩০ মে ২০০১ সালে দীর্ঘ দেড় মাস অসুস্থ থাকার পর ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন মিরপুর ঢাকা মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে রাষ্ট্রিয় মর্যাদায় দাফন করা হয়।

 

Comments

comments