ঢাকা, বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮ | ০৪ : ১১ মিনিট

kejurrosh

কনকনে শীত।চারদিকে ঘন কুয়াশা ঢাকা। এমন শীতের সকালে এক গ্লাস খেজুরের রস হলে কেমন হতো। নিশ্চয় ভালো লাগবে। আরও যদি হয় খেজুরের গুড়ের পিঠা-পায়েস।তাহলে তো তুলনা নেই।খেজুরের রসে র​য়েছে প্রচুর খনিজ ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ। এতে ১৫-২০% দ্রবীভূত শর্করা থাকে, যা থেকে গুড় ও সিরাপ উৎপাদন করা হয়।

জেনে নিই খেজুর রসের উপকারিতা

খেজুরের রস:  খেজুরের রসে প্রচুর এনার্জি বা শক্তি রয়েছে। এতে জলীয় অংশও বেশি। এটাকে প্রাকৃতিক ‘এনার্জি ড্রিংক’ বলা যেতে পারে। এতে গ্লুকোজের পরিমাণ বেশি থাকে। খেজুরের রস কাঁচা খাওয়া যায়, আবার জ্বাল দিয়ে গুড় তৈরি করেও খাওয়া যায়। গুড়ে আয়রন বা লৌহ বেশি থাকে এবং হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়তা করে। যাঁরা শারীরিক দুর্বলতায় ভোগেন, কাজকর্মে জোর পান না, খেজুরের রস তাঁদের জন্য দারুণ উপকারী। রস ও গুড়—দুটোই তাঁরা খেতে পারবেন।

কখন খাবেন:  ভোরবেলায়  রস খাওয়া ভালো। রাতে জমে থাকা রস খেলে উপকার পাওয়া যায়।

কখন খাবেন না: সময় বেশি হলে  এতে ফারমেন্টেশন বা গাঁজন প্রক্রিয়া হতে থাকে। এতে রসের স্বাদ নষ্ট হয় এবং অম্লতা বাড়ে। অন্ধকারে এই প্রক্রিয়া কম হয়, কিন্তু দিনের আলোতে গাঁজন বেশি হয়। তাই দিনের বেলা রস খাওয়া ঠিক নয়। এতে বমিসহ পেটের নানা সমস্যা হতে পারে। খেয়াল রাখতে হবে, খেজুরের রসে যেন কোনো পোকামাকড় মুখ না দেয়। বাদুড় বা পাখির মুখ দেওয়া রস খেলে রোগ হতে পারে।

কতটুকু রস খাবেন: একজন সুস্থ মানুষ সকালে এক থেকে দুই গ্লাস রস খেতে পারেন। সকালে খালি পেটে খেলেও সমস্যা নেই। যেহেতু এটি এনার্জি ড্রিংক, তাই শরীরে শক্তি জোগাতে পরিমাণমতো রস খাওয়া ভালো।

যাঁরা খাবেন না: যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁরা খেজুরের রস এড়িয়ে যাবেন। এতে চিনির পরিমাণ বেশি।

Comments

comments