ঢাকা, শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮ | ০৬ : ৩৬ মিনিট

1

ছবি : টাইমস অব ইন্ডিয়া

বাবা দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে কাজ করেন। তার মেয়ে ভারতে সবচেয়ে কম বয়সে পিএইচডি ফেলো অর্জন করেছেন। মেয়েটির বয়স মাত্র ১৫ বছর।  ভারতের উত্তর প্রদেশের দিনমজুরের ওই মেয়েকে নিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া একটি প্রতিবেদন করেছে।

মেয়েটির নাম সুষমা ভার্মা​। বয়স মাত্র ১৫ বছর। তিনি লক্ষ্ণৌ আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভারতের সর্বকনিষ্ঠ পিএইচডি গবেষণা ফেলো অর্জন করেছেন। দারিদ্র্যর মধ্যে বেড়ে ওঠা সুষমা এসএসসি পরীক্ষায় বোর্ডে সেরা ১০ এর মধ্যে ছিলেন সাতে। মাত্র ১৩ বছরে বয়সে তিনি লক্ষ্ণৌ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অণুজীববিজ্ঞানে মাস্টার ডিগ্রি জন্য ভর্তি হন।

 ছবি : টাইমস অব ইন্ডিয়া

ছবি : টাইমস অব ইন্ডিয়া

২০০৭ সালে সর্বক​নিষ্ঠ শিক্ষার্থী হিসেবে ভারতের লিমকা রেকর্ড বুকে ওঠে ​সুষমার। কারণ ওই বছর সবচেয়ে কম বয়সে সে ম্যাট্রিকুলেশন (এসএসসি) পাস করেন।

চিকিৎ​সক হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার ব্যাপারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলেন সুষমা। তবে, উত্তর প্রদেশের বিশ্ববিদ্যাল​য়ের একটি নিয়মের জালে আটকা পড়েন এই কিশোরী। এর ফলে তিনি আর এমবিবিএস পড়েনি।

এ ব্যাপারে টাইমস অব ইন্ডিয়াকে সুষমা ব​লেন, একজন ব্যক্তির প্রতিভা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন হওয়া উচিত বয়সের ভিত্তিতে নয়। আমি চিকিৎ​সক হতে চেয়ে​ছিলাম কিন্তু এ জন্য আমাকে ১৭ বছর বয়স পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এটা হতাশ করেছিল।

পরিবারের মধ্যে তিনি একা নন । বড় ভাই শৈলেন্দ্র প্রতিভাবান। মাত্র ১৪ বছরে ২০০৭ সালে ভারতের  সর্বকনিষ্ঠ কম্পিউটার বিজ্ঞানের স্নাতক তিনি।

সুষমা ও তার ভাই শৈলেন্দ্র যে কলেজ থেকে ডিগ্রী অর্জন করে। সেই কলেজে তার বাবা তেজ বাহাদুর একটি স্যানিটেশন কর্মী ​হিসেবে কাজ করেন।

Comments

comments