ঢাকা, রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮ | ০৭ : ৩০ মিনিট

May 17th, 2016

dlroy`ধন ধান্য পুস্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা
তাহার মাঝে আছে দেশ এক সকল দেশের সেরা
ও সে স্বপ্ন দিয়ে তৈরি সে যে স্মৃতি দিয়ে ঘেরা
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি
সকল দেশের রানী সে যে আমার জন্মভূমি…’

এই গানটি যতবারেই শুনি ততবারে শরীরের লোমগুলো শিরশির করে উঠে। দেশের প্রতি গভীর মমতা, ভালোবাসার জন্ম দেয়। ২০১১ সালে যখন আমাদের ‘মুক্ত আসর’ এর জন্ম। তখন আমরা সবাই মিলে ঠিক করি এই গানটি হবে আমাদের `থিমসং’। প্রত্যেকটি অনুষ্ঠানে, প্রত্যেকটি সভার শেষে আমরা এই গানটি গাইবো। ঠিক এখনও আমরা তাই করে আসছি। আমাদের অনুষ্ঠানে এই গানটি থাকা চাই। কী যে প্রাণ, কী শক্তি খুঁজে পাওয়া এই গানে। অদ্ভূত অনুভূতি!

চোখ বদ্ধ করে গানটা যখন সবাই মিলে গাই তখন দেশটাকে গর্বে, পরিস্কার একটা আয়নার মতো দেখি। কী অপরূপ আমাদের বাংলাদেশ। সত্যি তো ‘এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো..’।  ১৯১৩ সালে ১৭ মে  কলকাতায় তাঁর মৃত্যু জীবনাবসান ঘটে।

দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ছিলেন কবি, নাট্যকার ও সংগীতস্রষ্টা। সবার কাছে ডি. এল. রায় নামেও পরিচিত। প্রায় ৫০০ গান রচনা করেন। তার বিখ্যাত গান “ধনধান্যে পুষ্পে ভরা”, “বঙ্গ আমার! জননী আমার! ধাত্রী আমার! আমার দেশ” ইত্যাদি আজও সমান জনপ্রিয়। অনেক নাটকের রচিয়তা তিনি। সেগুলো চার শ্রেণীতে বিন্যস্ত – প্রহসন, কাব্যনাট্য, ঐতিহাসিক নাটক ও সামাজিক নাটক। তাঁর জীবদ্দশায় প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে আর্যগাথা (১ম ও ২য় ভাগ) ও মন্দ্র বিখ্যাত। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের বিখ্যাত নাটকগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য একঘরে, কল্কি-অবতার, বিরহ, সীতা, তারাবাঈ, দুর্গাদাস, রাণা প্রতাপসিংহ, মেবার-পতন, নূরজাহান, সাজাহান,চন্দ্রগুপ্ত, সিংহল-বিজয় ইত্যাদি।

১৮৬৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ জুলাই তারিখে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পূর্ব-পুরুষদের তালিকায় প্রথম নাম পাওয়া যায় ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল  কাব্যে। এই গ্রন্থের বর্ণানুসারে জানা যায়— মদনগোপাল রায় ছিলেন কৃষ্ণনগরের রাজার সেনাপতি এবং তাঁর অগ্রজ রামগোপাল ছিলেন দেওয়ান। মদনগোপাল রায়বক্সি উপাধি লাভ করেছিলেন। এই মদনগোপল ছিলেন দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের পিতা কার্তিকেয়চন্দ্র রায়ের প্রপিতামহ। তাঁর পিতা কার্তিকেয়চন্দ্র রায়ও ছিলেন কৃষ্ণনগর রাজবংশের দেওয়ান। কার্তিকেয়চন্দ্র নিজেও ছিলেন একজন বিশিষ্ট খেয়াল গায়ক ও সাহিত্যিক। তাঁর মা-এর নাম প্রসন্নময়ী দেবী। উনি ছিলেন অদ্বৈত আচার্যের বংশধর। কার্তিকেয়চন্দ্রের সাত পুত্রের ভিতর ইনি ছিলেন কনিষ্ঠ।

১৮৭৮ খ্রিষ্টাব্দে তিনি কৃষ্ণনগর কলেজ থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে পাশ করেন এবং ১০ টাকা বৃত্তি লাভ করেন। একই কলেজ থেকে তিনি এফ. এ. পাস করেন। এরপর  হুগলি কলেজ থেকে বি.এ.পাশ করেন। ছাত্রজীবনে তিনি ম্যালেরিয়াতে প্রায়ই ভুগতেন। এই কারণে শেষের দুটি পরীক্ষায় বিশেষ কৃতিত্ব দেখাতে পারেন নি।  ১৮৮২ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ আর্যগাঁথার প্রথমভাগ প্রকাশিত হয়।

১৮৮৪ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ (অধুনা প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে ইংরেজি এম.এ. পাস করেন। এই পরীক্ষায় তিনি দ্বিতীয় শ্রেণির প্রথম স্থান লাভ করেছিলেন। এরপর তিনি আবার ম্যালেরিয়াতে আক্রান্ত হন। এই কারণে, বায়ু পরিবর্তনের জন্য তিনি কিছুদিন দেওঘরে বসবাস করেন। এরপর কিছুদিন ছাপরা’র রেভেলগঞ্জ মুখার্জ্জি সেমিনারীতে শিক্ষকতা করেন। ১৮৮৪ খ্রিষ্টাব্দের এপ্রিল মাসে কৃষিবিদ্যা উপর লেখাপড়ার জন্য সরকারি বৃত্তি নিয়ে ইংল্যান্ড যান। সেখানকার এগ্রিকালচারাল কলেজ ও এগ্রিকালচারাল সোসাইটি থেকে কৃষিবিদ্যায় এফ.আর.এস এবং এম.আর.এ.সি ও এম.আর.এ.এস  ডিগ্রি অর্জন করেন। ইংল্যান্ডে থাকাকালীন সময়ে ১৮৮৬ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয় তাঁর একমাত্র ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ Lyrics of Ind। এই বছরই তিনি দেশে প্রত্যাবর্তন করে সরকারি কর্মে নিযুক্ত হন। কিন্তু তিন বছর বিদেশে থাকার পর দেশে ফিরে এলে,  তাঁর আত্মীয়-স্বজনেরা বিলেতে থাকার জন্য  প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করেন। দ্বিজেন্দ্রলাল প্রায়শ্চিত্ত করতে অসম্মত হলে, তাঁকে নানা সামাজিক উৎপীড়ন সহ্য করতে হয়।

১৮৮৬ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে চাকুরি জীবন শুরু করেন। শুরু থেকেই ইংরেজ অফিসারদের সাথে নানাবিধ সংঘাতের ভিতর দিয়ে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়। এই চাকুরির সুবাদে তিনি ভূমি জরিপ ও কর মূল্যায়ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এই সময় তিনি মধ্যপ্রদেশে সরকারী দপ্তরে যোগ দেন। ১৮৮৭ খ্রিষ্টাব্দে প্রখ্যাত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক প্রতাপচন্দ্র মজুমদারের কন্যা সুরবালা দেবীকে বিবাহ করেন। ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দে বর্ধমান এস্টেটের সুজামুতা পরগনায় সেটেলমেন্ট অফিসার হিসাবে কর্মরত অবস্থায় কৃষকদের অধিকার বিষয়ে তাঁর সাথে বাংলার ইংরেজ গভর্নরের বিবাদ ঘটে।  ১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর প্রথম সন্তান দিলীপকুমার রায়ের জন্ম হয়। ১৮৯৮ খ্রিষ্টাব্দে কন্যা মীরাদেবীর জন্ম হয়। ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দে একটি মৃত সন্তান প্রসব করে সুরবালা মৃত্যুবরণ করেন।

দ্বিজেন্দ্রলাল বেঁচে ছিলেন মাত্র পঞ্চাশ বছর। অথচ ঐ বয়সে তাঁর রচিত সাহিত্য সম্ভার প্রচুর। স্বাভাবিক কবিপ্রতিভা থাকা সত্ত্বেও তিনি পরবর্তীকালে তাঁর প্রাপ্য মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। দ্বিজেন্দ্রলালের শেষ কবিতার বই ১৯১২ খ্রীষ্টাব্দে প্রকাশিত। ‘চৈতালি’ ও ‘গীতাঞ্জলি’ ছাড়াও তখন রবীন্দ্রনাথের আরও কয়েকটি কবিতার বই বার হয়েছে বটে, বাকি সবই ভবিষ্যতের গর্ভে নিহিত। দ্বিজেন্দ্রলালের খণ্ডিত সাহিত্যজীবনে গানে, কবিতায়, নাটকে দৃপ্ত, দুঃসাহসী পদক্ষেপ ও নির্ভেজাল স্বাতন্ত্র্য ভেবে দেখার বিষয়।

উনিশ শতকের শেষে মধ্যবিত্ত বাঙালি ভদ্রলোকদের জাতীয়তাবাদী ধারণায় একটা টানাপোড়েন ছিল। ঔপনিবেশিক শাসনব্যবস্থায় এ-দেশের জাতীয়তাবাদের ধরনটি অনেকাংশে ছিল পশ্চিমী সভ্যতার ছাঁচে ঢালা ফসল। ইংরেজের আধিপত্য, শাসন আর শোষণে বাঙালি অধৈর্য হয়ে পড়লেও য়ুরোপীয়ান সভ্যতার গরিমাময় সংস্কৃতিকে অস্বীকার করার উপায় ছিল না। আর এই দোটনায় ছাপ তৎকালীন বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের কাজে ও কথায় প্রকাশিত হয়ে পড়ছিল। দ্বিজেন্দ্রলাল তার ব্যতিক্রম নন। ‘বড়ো ইংরেজের’ গুণগ্রাহী বাঙালি ‘ছোটো ইংরেজের’ এই দুঃশাসন আর লাঞ্ছনায় ব্যথিত হয়েছিলেন তীব্রভাবে। হয়তো এই কারণে দেবকুমার রায়চৌধুরী প্রণীত দ্বিজেন্দ্রলালের জীবনীতে ‘স্বদেশী আন্দোলন ও তন্ময়তা’ এবং ‘রাজভক্তি’, দুটি আলাদা অধ্যায়ের শিরোনাম বলে বিবেচিত, এটা তৎকালীন ভাবও ভাবনারই প্রতিচ্ছবি।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রস্তাবে প্রতিষ্ঠিত ‘খামখেয়ালী সভা’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই সভায় তিনি প্রথম থেকে আসা যাওয়া শুরু করেন। এই সূত্রে তাঁর সাথে রবীন্দ্রনাথের সখ্যাতা জন্মে।[সূত্র : রবিজীবনী চতুর্থ খণ্ড। প্রশান্তকুমার পাল। পৃষ্ঠা : ১২৭।]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দ্বিজেন্দ্রলাল সম্পর্কে লিখেছেন-

দ্বিজেন্দ্রলাল যখন বাংলার পাঠকসাধারণের নিকট পরিচিত ছিলেন না তখন হইতেই তাঁহার কবিত্বে আমি গভীর আনন্দ পাইয়াছি এবং তাঁহার প্রতিভার মহিমা স্বীকার করিতে কুণ্ঠিত হই নাই। দ্বিজেন্দ্রলালের সঙ্গে আমার যে সম্বন্ধ সত্য, অর্থাৎ আমি যে তাঁর গুণপক্ষপাতী, এইটেই আসল কথা এবং এইটেই মনে রাখিবার যোগ্য। আমার দুর্ভাগ্যক্রমে এখনকার অনেক পাঠক দ্বিজেন্দ্রলালকে আমার প্রতিপক্ষশ্রেণীতে ভুক্ত করিয়া কলহের অবতারণা করিয়াছেন। অথচ আমি স্পর্ধা করিয়া বলিতে পারি এ কলহ আমার নহে এবং আমার হইতেই পারে না। পশ্চিম দেশের আঁধি হঠাৎ একটা উড়ো হাওয়ার কাঁধে চড়িয়া শয়ন বসন আসনের উপর এক পুরু ধুলা রাখিয়া চলিয়া যায়। আমাদের জীবনে অনেক সময়ে সেই ভুল-বোঝার আঁধি কোথা হইতে আসিয়া পড়ে তাহা বলিতেই পারি না। কিন্তু উপস্থিতমতো সেটা যত উৎপাতই হোক্‌ সেটা নিত্য নহে এবং বাঙালি পাঠকদের কাছে আমার নিবেদন এই যে, তাঁহারা এই ধুলা জমাইয়া রাখিবার চেষ্টা যেন না করেন, করিলেও কৃতকার্য হইতে পারিবেন না। কল্যাণীয় শ্রীমান দেবকুমার তাঁহার বন্ধুর জীবনীর ভূমিকায় আমাকে কয়েক ছত্র লিখিয়া দিতে অনুরোধ করিয়াছেন। এই উপলক্ষে আমি কেবলমাত্র এই কথাটি জানাইতে চাই যে, সাময়িক পত্রে যে-সকল সাময়িক আবর্জনা জমা হয় তাহা সাহিত্যের চিরসাময়িক উৎসব-সভার সামগ্রী নহে। দ্বিজেন্দ্রলালের সম্বন্ধে আমার যে পরিচয় স্মরণ করিয়া রাখিবার যোগ্য তাহা এই যে আমি অন্তরের সহিত তাঁহার প্রতিভাকে শ্রদ্ধা করিয়াছি এবং আমার লেখায় বা আচরণে কখনো তাঁহার প্রতি অশ্রদ্ধা প্রকাশ করি নাই।– আর যাহা-কিছু অঘটন ঘটিয়াছে তাহা মায়া মাত্র, তাহার সম্পূর্ণ কারণ নির্ণয় করিতে আমি তো পারিই না, আর কেহ পারেন বলিয়া আমি বিশ্বাস করি না। [১৩২৪]

Untitled-1১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে তিনি কলকাতায় ‘পূর্ণিমা-মিলন’ নামে একটি সাহিত্য সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনে স্বদেশ পর্যায়ের বহু গান রচনা করেন। একসময় সাহিত্যক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর সাথে তাঁর তীব্র মতবিরোধ হয়। তারপরেও ভারতবর্ষ পত্রিকাতে (আষাঢ় ১৩২০) তিনি রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে উচ্চতর আশা ব্যক্ত করে লিখেছিলেন- “আমাদের শাসনকর্তারা যদি বঙ্গসাহিত্যের আদর জানিতেন, তাহা হইলে বিদ্যাসাগর, বঙ্কিমচন্দ্র ও মাইকেল peerage  পাইতেন ও রবীন্দ্রনাথ knightউপাধিতে ভূষিত হইতেন।”

১৯১২ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ জানুয়ারিতে দ্বিজেন্দ্রলাল রায় বাঁকুড়াতে বদলি হন। তিন মাস পরে বদলি হয়ে মুঙ্গেরে যান। এই সময় তিনি সন্ন্যাস রেগো আক্রান্ত হন। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপ্যাল ক্যালভার্টের কাছে চিকিৎসা নেন এবং এক বৎসরের জন্য ছুটি নেন।

চাকরি থেকে অবসর নেন ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দের ২২ মার্চ। এর আগে তিনি ভারতবর্ষ নামে একটি সচিত্র মাসিক পত্রিকা প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছিল। যার প্রকাশের দায়িত্ব নিয়েছিলেন গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এ্যান্ড সন্স। সহকারী হিসাবে অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ।
কঠিন অসুখে পড়ে গেলেন। এই দিকে পত্রিকার কাজও চলছে। পত্রিকার বের হবে হবে এমন সময় তিনি চিরতরে শেষ স্বপ্নকে লালন করে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। সেই দিন ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৩২০ সাল। দেখে যেতে পারেনি ভারতবর্ষ পত্রিকাটির প্রথম সংখ্যা। সেটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৩২০ বঙ্গাব্দের আষাঢ় মাসে। 
কবি ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলালের মতে ‘কিছু ছাড়িতে চাও না, দেশ উদ্ধার করিবে Conference (সভা) করিয়া? ধিক্‌!’ আধুনিককালেও এমন দেশপ্রেমী বিরল নয়। এই দেশব্রতী মানুষটি লিখেছেন তাঁর কবিতায়—
‘কথায় কথায় যাচ্ছে শুধু কথা বেড়ে,
গানে গানে ছেয়ে পড়ল দেশটা;
কিছুই বোঝা যাচ্ছে না ক নেড়ে চেড়ে
কি রকম যে দাঁড়ায় এখন শেষটা।’
এই মহানস্রষ্টার মৃত্যুবার্ষিকীতে জানাই বিনম্র সশ্রদ্ধ ও ভালোবাসা। বাংলা, বাঙালি যতদিন থাকবে ততদিন তিনি আমাদের মাঝে উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো জ্বল জ্বল হয়ে থাকবেন।
 [সুত্রধর: উইকিপিডিয়া, পরবাস,জয়ঢাক, জীবনী]
আবু সাঈদ : প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, মুক্ত আসর

Comments

comments